মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C
সর্ব-শেষ হাল-নাগাদ: ৩০ জুলাই ২০১৯

কোম্পানির ইতিহাস

বাংলাদেশে ষাট দশকের প্রথমদিকে প্রাকৃতিক গ্যাস কে শক্তির উৎস হিসেবে ব্যবহার শুরু হয়। ১৯৫৫ সালে সিলেট জেলায় হরিপুর গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কৃত হয় যা ১৯৬১ সালে বানিজ্যিক ভাবে উৎপাদন শুরু করে। হরিপুর গ্যাসক্ষেত্র ফেঞ্চুগঞ্জে ২৮ মাইল ৮ইঞ্চি পাইপলাইনের মাধ্যমে প্রাকৃতিক গ্যাস সার কারখানা(এনজিএনএফএল) এ গ্যাস সরবারহের মাধ্যমে বানিজ্যিক ভাবে উৎপাদন শুরু করে। ১৯৫৯ সালে ছাতক গ্যাস ফিল্ড আবিষ্কৃত হয় যা ১২মাইল লম্বা ট্রান্সমিশন লাইনের মাধ্যমে ছাতক সিমেন্ট কারখানায় গ্যাস সরবারহ করে ১৯৬০ সালে বানিজ্যিক উৎপাদন শুরু করে।

১৯৭১ সালে ডিসেম্বর মাসে স্বাধীনতা যুদ্ধের ০৯ মাস পরে বিশ্ব মানচিত্রে স্বাধীন দেশ হিসেবে বাংলাদেশ স্বীকৃত পায়। স্বাধীনতা যুদ্ধের পরে অর্থনীতি কে চাঙ্গা করতে দেশ পুনঃগঠনের জন্য বিভিন্ন উন্নয়নমুলক কর্মকান্ড হাতে নেওয়া হয়। সরকার কর্তৃক জাতীয় কাজ সমুহ অগ্রাধিকার প্রদান করায় তার সুফল জাতীয় উন্নয়নে প্রভাব পড়ে। তারই ধারাবাহিকতায় বিভিন্ন সেক্টর এবং কর্পোরেশন গঠন করা হয় । তারই ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশ সরকারের নির্বাহী আদেশে ১৯৭২ সালে “বাংলাদেশ তেল, গ্যাস এবং খনিজ কর্পোরেশন” গঠিত হয়।

১৯৭৩ সালে আরব-ইসরায়েল যুদ্ধের পরবর্তী সময়ে সারা বিশ্ব জুড়ে জ্বালানি সংকট দেখা দেয়। এর প্রেক্ষাপটে রাজধানীর বাইরে শিল্পায়নের পরিকল্পনা গ্রহন করা হয়। এই পরিকল্পনার আওতায় বাখরাবাদ গ্যাস সিষ্টেম লিমিটেড গঠিত হয়। বন্দর নগরী চট্টগ্রাম বাংলাদেশের বানিজ্যিক নগরী। বৃহত্তর চট্টগ্রামে শিল্প ও বানিজ্যিক গ্রাহকের বিস্তৃতি লাভ করার কারণে প্রয়োজনীয় জ্বালানীর চাহিদা পূরণ এবং অধিক গ্রাহক সেবার জন্য বাংলাদেশ সরকার আলাদা গ্যাস ডিষ্ট্রিবিউশন কোম্পানী গঠন করার পদক্ষেপ গ্রহন করে ।

বৃহত্তর চট্টগ্রামে গ্যাস বিতরণের লক্ষ্যে ২০১০ সালে ফেব্রুয়ারী মাসে বাংলাদেশ সরকারের জয়েন্ট ষ্টক কোম্পানী (কোম্পানী এ্যাক্ট ১৯১৩) হিসেবে কর্ণফুলী গ্যাস ডিষ্ট্রিবিউশন কোম্পানী গঠিত হয়। মোট ৩০০০টি শেয়ার প্রতি ১০.০০ টাকা হিসেবে মোট অনুমোদিত মূলধন ছিল ৩০ (ত্রিশ) লক্ষ টাকা।

কর্ণফুলী গ্যাস ডিষ্ট্রিবিউশন কোম্পানী লিমিটেড গঠন করার উদ্দেশ্য হল চট্টগ্রাম ও বৃহত্তর চট্টগ্রাম অঞ্চলে গ্যাস সরবারহের লক্ষ্যে গ্যাস ক্রয়, বিক্রয় এবং বিতরণ করা।


Share with :

Facebook Facebook